নিউজ ডেস্ক নয়াদিল্লী ঃ-

রাগে ফুঁসছে দেশের জনতা। প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বলছেন সেনাকে ছাড়পত্র দিয়ে বলছেন ভারতীয় সেনা তাঁরা যা খুশি করতে পারে। অনেকে পথে নেমে মিছিল করছেন। মোমবাতি থেকে মোবাইলের টর্চ লাইট জ্বালিয়ে বইছে শ্রদ্ধার বন্যা। কিন্তু যাদের সতীর্থদের প্রাণ গেল, যারা দিনের পর দিন জীবনের বাজি রেখে সীমান্তে লড়ছেন তাঁরা কি বলছেন? তাঁরা কি করতে চাইছেন? সে খবর কেউ জানতে চায় না। তাই সোশ্যাল মাধ্যমেই নিজেদের মনের কথা জানিয়েছেন সেনা জওয়ানরা। পুলওয়ামা হামলার দায় কাদের উপর দিচ্ছেন তাঁরা? তাঁরা যে ভারতমাতার সৈনিক। পালটা দিতে তাঁরা পিছপা হন না। নেহাত তাঁদের হাত পা ধরে টেনে রেখেছে দেশের রাজনীতি,না হলে সব হামলার কড়া জবাব দিতে প্রস্তুত ভারতীয় সেনা। নাম না নিয়ে এক খুব্দ সেনা জম্মু কাশ্মীরের সীমান্ত থেকেই ফেসবুক লাইভ করে জানিয়েছেন, “কেন আমাদের এভাবে আটকে রাখা হচ্ছে বলতে পারেন? সাতদিন সময় দিন। লাহোরে ঢুকে সব পাকিস্তানি সেনাদের মেরে আসব।ওদের জঙ্গিরা আমদের চল্লিশ জনকে মেরেছে। আমরা এখনই ওদের ঘরে ঢুকে চারশ জনকে মেরে আসতে পারি। আমাদের আটকাবেন না প্লিজ। আর কতদিন সহ্য করতে হবে?” কথাগুলো বলতে বলতেই গলা ভারি হয়ে আসে জওয়ানের। তাঁর দাবি, “ভারতের সিস্টেমটাই খারাপ।
আর সেটা গত সত্তর বছর ধরেই খারাপ। তিনশ সত্তর আইনের দিকেও প্রশ্ন তুলেছেন ওই জওয়ান।  প্রতিবাদী কণ্ঠে তিনি জানিয়েছেন, “আমরা নাকি ধর্ষণ করি? আমরা মানবিধিকার লঙ্ঘন করি। আর জঙ্গিরা যখন সবকিছু লঙ্ঘন করে হত্যালীলা চালায় তখন কোথায় যায় ওই সব বুদ্ধিজীবিরা? হ্যাঁ আমরা দেশের জন্য মরতেই জন্মেছি। কিন্তু তা বলে যারা পাথর ছোঁড়ে সেনাদের উপর, গালিগালাজ করে, গায়ে হাত তোলে, ভারতের জাতীয় পতাকা পুড়িয়ে দেয় আমাদের চোখের সামনে সেটা দেখতে আমরা এই উর্দি পরিনি। মারব বললেই মারা যায় না। অনেক বুঝে শুনে পা ফেলতে হয়। হঠাৎ করে কিছু করতে গেলেও পূর্ব পরিকল্পনার প্রয়োজন। মোদীর কথা অনুযায়ী ওইরকম কোনও আঘাত করতে গেলে উলাটপুরান হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This is todays COVID data

[covid-data]