নিউজ ডেস্ক নয়া দিল্লী ঃ-

গত কয়েক মাস ধরেই অসুস্থ থাকার খবর প্রকাশ্যে আসছিল জইশ-ই-মহম্মদ প্রধান মাসুদ আজহারের। পাকিস্তানের মদতপুষ্ট ‘ইউনাইটেড জিহাদ কাউন্সিল’-এর বৈঠকেও নাকি দেখা যাচ্ছিল না। অথচ তারই নির্দেশে কাশ্মীরে ভয়াবহ হামলা এই শীর্ষ জঙ্গিনেতার অস্তিত্বের প্রমাণ দিল। সূত্রের খবর অনুযায়ী জানা যায় বর্তমানে রাওয়ালপিন্ডিতে পাক সেনার হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে মাসুদ আজহারের। গত চার মাস ধরেই সেখানে ভর্তি সে।  পুলওয়ামায় হামলার আট দিন আগে একটি অডিও মেসেজ শোনা যায় মাসুদ আজহারের গলায়। ভাইপো উসমানের মৃত্যুর বদলা নেওয়ার বার্তা শোনা গিয়েছিল তার গলায়। সংগঠনের কর্মীদের সে স্পষ্ট বার্তা দিয়ে বলে, ‘কেউ বলবে জঙ্গি হামলা, কেউ বলছে শান্তির পথে বাধা দেওয়া হচ্ছে, কিন্তু সীমান্ত পার করে হামলা চালাতেই হবে।’ গোপনে তার আর এক ভাইপো মহম্মদ উমের ও আব্দুল রশিদ গাজীকে নির্দেশ দিয়েছিল যাতে ওই অডিও মেসেজ ছড়িয়ে মগজধোলাইয়ের কাজ শুরু করে তারা।
কাশ্মীরের এক গোয়েন্দা জানান, দক্ষিণ কাশ্মীরে লুকিয়ে আছে জঙ্গিরা। রয়েছে তিন নেতা উমের, ইসলামইল ও আব্দুল রশিদ গাজী। কাশ্মীরে অন্তত ৬০ জইশ জঙ্গি রয়েছে বলেও সূত্রের খবর। এর মধ্যে পয়ত্রিশ জন পাকিস্তানি। ভারতে একাধিক জঙ্গি নাশকতামূলক কাজের সঙ্গে জড়িত আজহার৷ তাকে গ্রেফতারও করা হয়৷ কিন্তু ১৯৯৯ সালে কান্দাহার বিমান হাইজ্যাকের পর তাকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় তৎকালীন ভারত সরকার৷ ছাড়া পেয়েই ভারতের বুকে একের পর এক জঙ্গি হামলা করে মাসুদ৷ যার মধ্যে অন্যতম ২০০১ সালের সংসদ হামলা, ২০০৫ সালে অযোধ্যা হামলা ও সাম্প্রতিক কালে ২০১৬ সালে পাঠানকোট বায়ুসেনা ছাউনিতে হামলা৷

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This is todays COVID data

[covid-data]