নিউজ ডেস্ক,নয়া দিল্লীঃ-
অবশেষে নৃশংস হামলার ৭২ ঘণ্টার পরই বোধয় এল সাফল্য!একটি বে সরকারী সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর পুলওয়ামা হামলার মূল চক্রী আব্দুল রশিদ গাজীর সন্ধান পেয়েছে তদন্তকারীরা৷এই রশিদ গাজী কোন কোন জায়গায় সক্রিয় ছিল তা হদিশ পেয়েছে গোয়েন্দারা৷সূত্রের খবর,ত্রাল বা পুলওয়ামার জঙ্গলে লুকিয়ে গোটা অপারেশনে মদত দিয়েছিল আব্দুল রশিদ গাজী৷ছক সাজানো হয়েছিল সেখানকার গোপন ডেরা থেকেই৷কীভাবে হামলা চালানো হবে তার রূপরেখা করা হয়েছিল আজহারের নির্দেশেই৷রশিদ গাজীকে জীবিত পাকরাও করতে জোরদার তল্লাশি শুরু হয়েছে৷পুলওয়ামা হামলার মাসখানেক আগেই আইবি থেকে এই হামলা সম্পর্কে ইঙ্গিত দিয়েছিল জানা গেছে৷ইঙ্গিত ছিল জইশ-এ-মহম্মদ কোনও হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছে৷আফগান যুদ্ধের অন্যতম মাথা আব্দুল রশিদ গাজীই আছে এই হামলার পেছনে।গত ডিসেম্বর থেকেই ছক শুরু হয়েছিল বলে মনে করা হচ্ছে।আব্দুল রশিদ গাজী আইইডি স্পেশালিস্ট বলেও জানা গেছে। উল্লেখ্য গত তিন জানুয়ারি জম্মু-কাশ্মীরেই নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে মারা গিয়েছিল জয়েশ-ই-মহম্মদের সদস্য তথা মাসুদ আজাহারের ভাইপো উসমান ও তলহা।এর পরই জয়েশ-ই-মহম্মদ প্রতিশোধ নিতে গাজী বাহিনীকে কাশ্মীর পাঠায়।গোয়েন্দা সূত্রের খবর নয়ই ডিসেম্বর কাশ্মীরে প্রবেশ করে সন্ত্রাসীরা।সম্ভবত ডিসেম্বরের শেষের দিকে যাত্রীবাহী গাড়িতে করে তারা পুলওয়ামায় পৌঁছয়।এই হামলার পিছনে বেশ কিছু কারণ বেড়িয়ে এসেছে। প্রথমত আগামী গত নয় ফেব্র‌ুয়ারি ছিল সংসদ হামলার মূল কাণ্ডাড়ী আফজল গুরুর মৃত্যুবার্ষিকী।সূত্রের খবর,একটি পতাকায় জইশ-ই-মহম্মদ প্রধান মৌলানা মাসুদ আজহারের  লেখা মন্তব্যে দেখা যায় ‘বড়া হোনা চাহিয়ে, হিন্দুস্থান রোনা চাহিয়ে’।এর থেকে স্পষ্ট যে হামলার অনেক আগেই  দলবল নিয়ে রশিদ গাজী কাশ্মীরে প্রবেশ করেছিল।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This is todays COVID data

[covid-data]