নিউজ ডেস্ক নয়াদিল্লি ঃ-

শত্রুঘ্ন সিনহা কিছুদিন আগেই বিজেপি ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। পুরনো কেন্দ্র বিহারের পাটনা সাহিব থেকেই কংগ্রেসের টিকিটে লড়ছেন তিনি। মহম্মদ জিন্নার প্রশংসা শোনা গেল এক রাজনৈতিক সভায় তাঁর মুখেই। দেশের স্বাধীনতা ও উন্নতিতে মহম্মদ জিন্নার বড় ভূমিকা ছিল বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। মধ্যপ্রদেশের চিন্দওয়াড়ায় এক সভায় তাঁকে এই কথা বলতে শোনা গিয়েছে। একদিকে শোনা গিয়েছে জওহরলাল নেহরু, মহাত্মা গান্ধী ও ইন্দিরা গান্ধীর প্রশংসা। তার পাশাপাশি জিন্নার প্রশংসাও করেন তিনি। সভায় তিনি বলেন, ”সর্দার প্যাটেল থেকে নেহরু, মহাত্মা গান্ধী থেকে জিন্না, ইন্দিরা গান্ধী থেকে রাহুল গান্ধী- দেশের স্বাধীনতা ও উন্নতিতে এদের প্রত্যেকের ভূমিকা রয়েছে। তাই তিনি কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন।” উল্লেখ্য গত বছরেই জিন্নার ছবি ঘিরে ব্যাপক বিতর্ক হয় আলিগড় মুসলিম ইউনিভার্সিটিতে। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সরিয়ে নিতে হবে পাকিস্তানের স্রষ্টা মহম্মদ আলি জিন্নার ছবি৷ বিজেপি সাংসদের এমনই চিঠিতে তোলপাড় হয় দেশের অন্যতম সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান৷ বিতর্কের শুরুটা করেছিলেন বিজেপি সাংসদ সতীশ গৌতম৷ আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে চিঠি লিখে তিনি দাবি, করেন অবিলম্বে সরিয়ে ফেলুন মহম্মদ আলি জিন্নার ছবি৷ বিশাল এই ছবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ইউনিয়ন ভবনের সামনেই আছে৷ তারপরই ছড়ায় বিতর্ক। আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান৷ এই বিশ্ববিদ্যালয়ের আজীবনের জন্য সদস্য মহম্মদ আলি জিন্না ও মহাত্মা গান্ধী৷ ১৯৩৮ সালে দুই ব্যক্তিত্বকে এ এম ইউ কর্তৃপক্ষ এই সম্মাননা প্রদান করেছিল৷ চিন্দওয়াড়ায় কংগ্রেস প্রার্থী তথা মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথের ছেলে নকুল নাথের হয়ে প্রচারে গিয়েছিলেন শত্রুঘ্ন সিনহা। সেখানে গিয়ে মোদী সরকারকে জি এস টি ও নোটবন্দি নিয়ে কটাক্ষ করেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, ”দল ব্যক্তির থেকে বড়, দেশ দলের থেকে বড় আর জাতির থেকে বড় কিউ নয়।”

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This is todays COVID data

[covid-data]