বিশ্বজিত মণ্ডল,  মালদহঃ-  বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে গঙ্গার জল। 

গঙ্গার ভাঙনের জেরে গত প্রায় এক মাস থেকে বাড়ীঘর ছেড়ে নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নিয়েছে রতুয়া এক নম্বর ব্লকের মহানন্দাটোলা ও বিলাইমারি পঞ্চায়েতের গঙ্গা তীরবর্তী বেশ কিছু গ্রামের বাসিন্দারা।তার উপর গঙ্গার জলস্তর বিপদসীমা ছাড়িয়ে পড়ায় আতঙ্কে রয়েছেন গঙ্গাতীরবর্তী গ্রামের বাসিন্দারা।ইতিমধ্যে গঙ্গার জল ঢুকতে শুরু করেছে নীচু এলাকাগুলিতে৷ সঙ্গে চলছে ভাঙন৷মঙ্গলবার বন্যা ও ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে যান মালদহ জেলা শাসক কৌশিক ভট্টাচার্য, জেলা পুলিশ সুপার অর্নব ঘোষ সহ প্রশাসনের এক প্রতিনিধি দল। তাঁরা ঘুরে দেখেন রতুয়ায় বিলাইমারী ও মহানন্দাটোলা পঞ্চায়েতের কবলিত এলাকা।


দূর্গম এলাকাগুলি ড্রোন ক্যামেরার সাহায্য দেখেন প্রশাসনিক কর্তারা। জেলা প্রশাসন সুত্রে জানা গিয়েছে গঙ্গার জলস্তর ২৪.৬৯ মিটারের উপর দিয়ে বইছে। এখন ব্যাপক হারে বাড়ছে জল। জেলা সেচ দপ্তরের নির্বাহী বাস্তুকার প্রণবকুমার সামন্ত বলেন, গঙ্গার জল এদিন তার বিপদসীমা ২৪.৬৯ মিটার পেরিয়ে ২৪.৭৬ মিটারে পৌঁছে গিয়েছে৷ পারলালপুরে তাঁরা গঙ্গার ভাঙনরোধের কাজ করছেন৷ তার আপস্ট্রিমে ব্যাপক ভাঙনও শুরু হয়ে গিয়েছে৷ নদীর জল নীচু এলাকায় ঢুকতে শুরু করেছে৷ কিছু চাষের জমি জলমগ্ন হয়ে পড়েছে৷ ভাঙন রোধে তাঁরা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন৷ এছাড়াও রতুয়া ১ ব্লকের জঞ্জালিটোলা ও বিলাইমারিতে ভাঙন চলছে৷ সবচেয়ে চিন্তার কারণ, গঙ্গার জল আরও বাড়তে পারে৷ আবহাওয়া দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, বিহার ও উত্তরপ্রদেশে ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে৷ তার জেরে গঙ্গার জলস্তরও বাড়বে৷ এই অবস্থায় গঙ্গা তার চরম বিপদসীমা ২৫.৩০ মিটার উচ্চতা ছুঁয়ে ফেলতে পারে বলে মনে করছেন সেচ দপ্তরের কর্তারা।পরিস্থিতি মোকাবিলায় তৈরী রয়েছে জেলা প্রশাসন। তবে আতঙ্কের মধ্যে প্রহর গুনছেন কবলিত এলাকার বাসিন্দারা।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This is todays COVID data

[covid-data]