নিউজ ডেস্ক কলকাতা ঃ-

তিনি লড়াই করেছেন এলাকাবাসীর দারিদ্রতা নিয়ে। তিনি নিজেও ছিলেন সেই এলাকার দরিদ্রদের তালিকায়। কারণ তিনিও থাকেন কুঁড়ে ঘরে। এই দারিদ্রতাকে হাতিয়ার করেই জয় পেয়েছেন বিজেপি নেতা সীতারাম আদিবাসী। বিধায়ক হয়েছেন বিজয়পুর কেন্দ্রের। প্রায় একমাস ত্রিশ দিন ধরে তিনি মধ্যপ্রদেশের বিধানসভার সদস্য। বিধায়কের এই দুর্দশা দূর করতে এগিয়ে এসেছেন স্থানীয় এলাকাবাসীরা। এবং বিধায়কের জন্য ঘর করে দেওয়ারও উদ্যোগ নিয়েছে।বিজেপি নেতা সীতারাম আদিবাসীর দারিদ্রতা এবং দরিদ্রদের নিয়ে লড়াই করছে দীর্ঘদিন যাবত।
সীতারাম ২০০৮ এবং ২০১৩ সালের বিধানসভা নির্বাচনে লড়াই করেও জিততে পারেননি। ওই সময় সেই রাজ্যে বিজেপির রমরমা চলছিল তবুও জিতেছিলেন কংগ্রেসের নেতা রামনিবাস রাওয়াত। ২০১৮ সালে মধ্যপ্রদেশে অবসান ঘটেছিল বিজেপির। তখন ওই রাজ্যের শাসনভার গ্রহণ করছিল কংগ্রেস। কিন্তু বিজয়পুর কেন্দ্র থেকে কংগ্রেস নেতা বিধায়ক রামনিবাস রাওয়াত গত দু’বার পরাস্ত হয়েছিলেন। এবং সেই কেন্দ্রে জয়ী হয়েছিল কুঁড়ে ঘরে থাকা সীতারাম আদিবাসী।
কারহাল বিকাশখণ্ড গ্রামের বাসিন্দা ৫৫ বছর বয়সী এই বিজেপি বিধায়ক সহজ-সরল জীবনযাপনেই অভ্যস্ত। স্ত্রী ইমতিবাঈকে ছাড়া আর কেউ নেই তাদের সন্তান ও আসেনি ওই দম্পতির জীবনে। নির্বাচন কমিশনের কাছে দাখিল করা তথ্য অনুসারে সীতারামের মোট সম্পত্তির পরিমাণ মাত্র ৪৬,৭৩৩ টাকা। যার মধ্যে নগদ ছিল মাত্র পঁচিশ হাজার টাকা। সেই অসহায় বিধায়কের ঘর তৈরি করতে উদ্যগ গ্রহণ করেছেন গ্রামবাসীরা। তৈরি করা হচ্ছে দুই কামরার একটি বাড়ি। স্থানীয়দের সকলের একই মন্তব্য যে গ্রামবাসীদের দূরসময়ে সররদা পাশে দাঁড়িয়েছেন সীতারাম আদিবাসী। মধ্যপ্রদেশের বিধায়কদের মাসিক ভাতা ১ লক্ষ দশ হাজার টাকা। তবে এখনও প্রথম মাসের ভাতা হাতে পাননি সীতারাম। বিজয়পুরের বিয়াধায়ক সীতারাম বলেছেন ঐ টাকা পওয়ার সাথে সাথেই এলাকার উন্নয়ন করবেন।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This is todays COVID data

[covid-data]