নিউজ ডেস্ক, দীপা দাসঃ- পুজোর মরসুমেই পুড়ে ছাড়খার হলো কলকাতার বিখ্যাত বাগড়ি মার্কেট 
পুজোর আর মাত্র তিন সপ্তাহ বাকি, কলকাতার বাগড়ি মার্কেট চোখের নিমেষেই ধ্বংস স্তূপে পরিণত হলো। এখন প্রশ্ন হলো- কলকাতার  জনবহুল বিখ্যাত এমন একটি মার্কেট যা পুরসভা কর্তৃক ছাড়পত্র পেয়েছিলো, অগ্নি  নির্বাপক  ব্যবস্থাও নাকি খতিয়ে দেখা হয়েছিল তা স্বত্বেও অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনো  ত্রুটি  দেখতে  পেলোনা কেউ? আসলেই কি দেখতে পেলনা ? নাকি দেখা জিনিসটাকে না দেখা করে রাখা হল ? ভাবতেই অবাক লাগে যে পৌরসভার ও দমকল বিভাগের ছাড়পত্র তারপরেও একটি পুরো মার্কেট আগুনে পুড়ে ছাই হলো কিভাবে ? 
প্রশ্ন উঠছে পুরসভার তদন্ত কি তবে কি ভুল নাকি মার্কেটের ব্যবসায়ীদের নিজেদের দোকান ও অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থায় অবহেলা করে রেখেছিলো ? এতো বড়ো মার্কেট এতো মানুষের যেখানে আনাগোনা, সেই জায়গায় পুরসভা বা দোকান মালিকরা কি ভাবে নিজেদের প্রতি বা অন্য লোকেদের  প্রতি অবহেলিত হতে পারে ? তবে মার্কেটের ব্যবসায়ীদের বক্তব্য দমকল কর্মীরা সঠিক সময়ে এসেও, একটা দোকানও রক্ষা করতে পারেনি। কিন্তু সরকার পক্ষ একে অপরকে দোষ চাপাতে ব্যস্ত । একদিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিদেশে বসে বলেছেন মার্কেটে নাকি গুন্ডাগিরি চলছে, দমকল মন্ত্রী ব্যস্ত দোকানদারদের ওপর দোষ ঠেলতে আর পুরমন্ত্রী তো আরও একধাপ অপরে গিয়ে বলছেন। এখানে নাকি নাটক চলছে । অপরদিকে বাগড়ি এস্টেট ব্যস্ত সরকারের ওপর দোষ চাপিয়ে নিজেদের বোঝা নামাতে । কিন্তু নিজেদের এই মারামারিতে কেও ভাবছে না, পুজোর আগে ছোট বড় ব্যবসায়ীদের যে ক্ষতি হল, তার কি হবে ? তারা কি খাবে ? কি হবে তাদের পরিবারের ?  

ফলে বর্তমান পরিস্থিতি এখন যেন বিখ্যাত কবি জয় গোস্বামীর “রূপম” কবিতার রূপমের মতো, “তার একটি চাকরির জন্য এরকাছে ওরকাছে ফোন বেজে চলেছে, ফোন বেজেই চলছে…. ফোন  বাজা তখনই বন্ধ হলো যখন তার  মৃতদেহ পুকুর থেকে তোলা  হলো …

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This is todays COVID data

[covid-data]