নিউজ ডেস্ক, আগরতলাঃ- দীর্ঘ দিন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কর্মরত আজম খানকে গ্রেপ্তারের পর সামনে আসল তচাঞ্চল্যকর তথ্য । 


সূত্রের খবর অনুসারে, বাংলাদেশের জঙ্গি মদতদাতা ও আন্তর্জাতিক নেশা কারবারের সাথে যুক্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কর্মরত আজম খান নামক এক ব্যক্তিকে বুধবার আটক করে পশ্চিমথানার পুলিশ । গ্রেপ্তারের পর জেরা করতেই চক্ষু চড়কগাছ হয়ে যায় পশ্চিমথানার ওসি সুব্রত চক্রবর্তীর , জেরায় জানা যায় আজম খান বাংলাদেশ থেকে কয়েক বছর আগে ত্রিপুরায় এসে নাম বদল করে রাজু চৌধুরী নামে পরিচয় দিয়ে পার্মানেন্ট রেসিডেন্ট সার্টিফিকেট, আধারকার্ড, প্যানকার্ড ইত্যাদি তৈরি করে আগরতলায় থাকত এবং পাইপমিস্ত্রির কাজ করত। আর এতেই সামনে এল কিভাবে বাম আমলে অবৈধভাবে ভারতীয় নাগরিক প্রমাণপত্র সহ সমস্ত নাগরিকপত্র তৈরি হয়ে যেত, নিজেকে পাইপমিস্ত্রি বলে পরিচয় দিলেও জানা যায়, তার আসল কাজ ছিল বাংলাদেশীদের অবৈধভাবে এপারে এনে জালি কাগজপত্র তৈরি করে দেওয়া সেইসাথে জঙ্গিদলে নতুন সদস্য ভর্তি করা ও আন্তর্জাতিক নেশা কারবারীদের সাহায্য করা । তবে এইসব তথ্যে কতটা সত্য তা নিয়ে এখনও সংশয় রয়েছে , কারন কোন যথোপযুক্ত প্রমান এখনও পুলিশের হাতে আসেনি, তাই এই বিষয়ে তদন্ত চলছে বলে জানান পশ্চিমথানার ওসি সুব্রত চক্রবর্তী । 

কিন্তু সারাদিন ধরে যেই খবরটা সংবাদের শিরনামে, সেটা হল মুখ্যমন্ত্রীকে হত্যার ছক । শোনা যাচ্ছে ক্ষমতায় আসার পর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে গাঁজা, ড্রাগস সহ সমস্ত নেশাকারবারীদের কোমর ভেঙে দিয়েছেন তাতে করে মুখ্যমন্ত্রীকে হত্যার পরিকল্পনা করছে আন্তর্জাতিক নেশা কারবারী চক্র , আর সেই দ্বায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল মোস্ট ওয়ান্টেড ক্রিমিনাল আজম খান ওরফে রাজু চৌধুরীকে । কিন্তু এই বিষয়টি কতটা গ্রহণযোগ্য, সেই বিষয়ে এখনও কোন পাকাপোক্ত তথ্য ও প্রমান আসেনি পুলিশের কাছে, তাই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পুলিশ মহলেও । ধৃত আজম খান কিভাবে ভারতে এসে পার্মানেন্ট রেসিডেন্ট সার্টিফিকেট, আধারকার্ড, প্যানকার্ড ইত্যাদি তৈরি করল সেই বিষয়ে পূর্ণ তদন্ত করলেই আসল ঘটনা সামনে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে , যদিও এই পুর বিষয়টির সাথে গাঁজা, ফ্যান্সিডিল কারবারীদের যোগের তথ্য একেবারেই উড়িয়ে দিচ্ছে না পুলিশ, সেইসাথে কোন রাজনৈতিক যোগসুত্রের সম্ভাবনার ব্যাপার ও একেবারে উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না । ইতিমধ্যে আজম খানের বিরুদ্ধে পশ্চিম থানায় পুলিশের পক্ষ থেকে ১২০(বি), ৪৬৮, ৮৭১, ৮২০ ও আইপিসি অ্যাক্ট ৩/৪ ধারায় স্বতস্প্রনদিত ভাবে মামলা রুজু করা হয়েছে বলে জানা যায় । এখন দেখার বিষয় এটাই যে, তদন্তে কি উঠে আসে !  
  

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This is todays COVID data

[covid-data]