নিউজ ডেস্ক নয়া দিল্লী ঃ- 

জওয়ান হারানোর ক্ষত নিয়ে দেশ কাটিয়ে ফেলেছে দুদিন৷ সময় যত গড়াচ্ছে, প্রতিশোধের জ্বালায় ফুটছে গোটা দেশ৷ গাফিলতি কোথায় চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে৷ অনেক প্রশ্ন৷ সিআরপিএফ সূত্রে খবর, যে গাড়িতে বিস্ফোরক নিয়ে আসা হয়েছিল, তাতে ছিল ৬০ কেজি শক্তিশালী আরডিএক্স৷ প্রাথমিকভাবে ৩৫০ কেজি আরডিএক্সের উপস্থিতির কথা জানিয়ে ছিলেন তদন্তকারীরা৷ যা ছড়িয়ে পড়েছিল একশ পঞ্চাশ মিটার এলাকা জুড়ে। সেই বিস্ফোরণে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় আশি মিটার দূরে ছিটকে পড়ে জওয়ানের দেহ৷ জানা গিয়েছে, জওয়ানদের বাসে ধাক্কা মারেনি হামলাকারী৷ রাস্তার বাঁ দিক দিয়ে কনভয়ের ৭৮ টি বাসের কাছে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।
এই ঘটনার ভয়াবহতা বাড়াতে বিস্ফোরকে ব্যবহার করা হয় “শেপড চার্জ”৷ কিন্তু একটি বিষয় ভাবাচ্ছে তদন্তকারীদের৷কীভাবে নিরাপত্তায় মোড়া জাতীয় সড়ক পেরিয়ে কনভয়ের কাছাকাছি পৌঁছে যেতে পারল হামলাকারীর গাড়ি৷ কে বা কারা গোটা হামলার পিছনে ছিল, তার খোঁজ চলছে৷ তাহলে কীভাবে নিরাপত্তারক্ষীদের চোখ এড়িয়ে গেল সে? প্রশ্ন উঠছে৷
নিরাপত্তারক্ষীদের কাছে খবর ছিল আদিল তিনমাস ধরে নিখোঁজ ছিল৷ অনুমান সেই সময়েই সে হামলার প্রসিক্ষণ নেয় জইশের ক্যাম্পে৷১৫ই ফেব্রুয়ারী যে ৭ সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে, তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা চলছে৷ ১৬ই ফেব্রুয়ারী কাশ্মীর জুড়ে একাধিক জায়গায় তল্লাশি অভিযান চলবে বলে পুলিশ জানিয়েছে৷

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This is todays COVID data

[covid-data]