নিউজ ডেস্ক, শিলিগুড়িঃ  – কাটেনি ৭২ ঘণ্টাও, তার আগেই পশ্চিমবঙ্গের বুকে ভেঙে পরল আরেকটি ব্রিজ । 


এখনও রেশ কাটেনি মাঝেরহাট কাণ্ডের৷ এরইমধ্যে ফের শুক্রবার সকালে শিলিগুড়ির ফাঁসিদেওয়ার কাছে মানগঞ্জে ভেঙে পড়ল সেতু৷ একটি ট্রাক নিয়ে ভেঙে পড়ে সেতুটি, আহত হন ট্রাকের চালক৷ তবে এখনও হতাহতের খবর নেই৷ ঘটনাস্থলে ফাঁসিদেওয়া থানার পুলিশ৷ এখনও ট্রাকটি ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে৷ গত ৩ মাসের মধ্যে এই নিয়ে ২টি ব্রিজ ভেঙে পরল শিলিগুড়িতে । 

ঘটনাসূত্রে জানা যায়, সেতুটি অনেক পুরনো। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ দাবি করেছেন, সেতুটি দুর্বল বলে চিহ্নিত হয়েছিল। তার পরেও কীভাবে সেতুটির উপর দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচলের অনুমতি দেওয়া হল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছেই। স্থানীয় বাসিন্দারে অভিযোগ সেতুটির কোনও রক্ষণাবেক্ষণ ছিল না, দীর্ঘদিন ধরেই বেহাল সেতুটি৷ কিন্তু কোনও মেরামতির উদ্যোগ না নেওয়ার জেরেই এত বড় দুর্ঘটনা ঘটল৷ ফাঁসিদেওয়ার সঙ্গে শিলিগুড়ি রাজ্য সড়কে সংযোগকারী এই সেতুটি ভেঙে পড়ায় সমস্যায় সাধারণ মানুষও। সেতুটি ১৯৮০ সালে তৈরি বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বিডিও। ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে পুলিশ-প্রশাসন। যাচ্ছেন পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেবও। 

বৃহস্পতিবারই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, কলকাতার কুড়িটি সেতু দুর্বল বলে চিহ্নিত হয়েছে। কিন্তু রাজ্যের অন্যত্র যে আরও অনেক বিপজ্জনক সেতু রয়েছে, ফের তা প্রমাণিত হল। শুধূ কলকাতাই নয়, জেলাগুলিতেও এমন বহু সেতু রয়েছে যাদের অবস্থা অত্যন্ত জীর্ণ৷ যেকোনও সময়ে বড় কোনও দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে৷ যেমনটা শুক্রবার সকালে ঘটল ফাঁসিদেওয়ায়৷ স্থানীয়রা বলছেন, এদিন যে সেতুটি ভেঙে পড়ল সেখানে খুব বেশি ওজন নিয়ে যান চলাচল করে না৷ বরং নিয়ম করে যদি রক্ষণাবেক্ষণ করা যেত তবে এমনটা হত না৷ তবে এরমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে দোষারোপের পালা, পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব এদিনের ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, আমি এখনই ঘটনাস্থলে যাচ্ছি৷ পরিস্থিতি ঠিক কীরকম তা না দেখে মন্তব্য করতে সম্ভব নয় । তিনি আরও জানিয়েছেন এই এলাকা শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের আওতায়, তাই এই ব্রিজের রক্ষণাবেক্ষণের দ্বায়িত্বও শিলিগুড়ি পুর-পরিষদের , ওপর দিকে শিলিগুড়ি পুর-পরিষদের পক্ষ থেকে জানান হয় এই ব্রিজের বেহাল অবস্থা সমন্ধে পূর্ত দফতরকে আগে জানান হলেও , কোন কর্ণপাত করা হয়নি দফতরের পক্ষে ।    




By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This is todays COVID data

[covid-data]