নিউজ ডেস্ক কলকাতা ঃ-

প্রত্যেক বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিতে রাজি নয় নির্বাচন কমিশন। দ্বিতীয় দফায় যার কুফল ভুগতে শুরু করেছে রাজ্যের সাধারণ মানুষ। যে সমস্ত বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী দেয়নি নির্বাচন কমিশন সেখানেই শুরু হয়েছে তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনীর গুন্ডামি! এমনই খবর সামনে আসছে মিডিয়ার সূত্রে। ১৮ই এপ্রিল ভোটপ্রদান শুরু হতে না হতেই শিলিগুড়ি থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের গুন্ডাদের খবর সামনে আসতে শুরু হয়েছে। দার্জিলিং লোকসভা  অন্তর্ভুক্ত চোপড়ার একাধিক বুথে তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনী ভোটারদের বাধা দিতে শুরু করেছে বলে অভিযোগ সামনে আসছে। দ্বিতীয় দফায় এমন গন্ডগোল ও গুন্ডাদের দাপট নিয়ে রিপোর্ট চেয়েছে নিবার্চন কমিশন। অবশ্য এখন রিপোর্ট চাওয়া ছাড়া আর কিছু করারও নেই কমিশনের। কারণ রাজ্যের প্রত্যেক বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকলে তৃণমূল আশ্রিত গুন্ডারা ভোটারদের উপর অত্যাচার করবেই। চোপড়ার ১৮০ নাম্বার বুথে তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনী মহিলা ভোটারদের ভোট প্রদান করতে বাধা দেয় বলে অভিযোগ সামনে এসেছে। ভোটার স্লিপ কেড়ে নিয়ে মহিলা ভোটারদের মারধর করা হয় একই সাথে বৃদ্ধদেরও ভয় দেখায় তৃনমূল কংগ্রেস এর গুন্ডাবাহিনী। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে যে তারা প্রত্যেক বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী না দিলেও রাজ্যপুলিশ নিযুক্ত করেছে। তবে রাজ্যপুলিশ নিরপেক্ষভাবে কাজ করছে না তার সরাসরি অভিযোগ তুলেছেন সাধারণ ভোটাররা। এই ইস্যুতে নৈনিতাল কলোনি বাসস্টান্ডে সাধারণ ভোটার ও পুলিশের মধ্যে বচসা বেঁধে যায়। সাধারণ ভোটাররা জানিয়েছেন যে কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া তারা ভোট দেবেন না। সকাল থেকে তৃণমূল গুন্ডাবাহিনী বুথ দখল করে ভোটারদের মারধর করেছে যেখানে পুলিশ নিশ্চুপ ছিল, তাই তারা নির্বাচন বয়কট করবেন বলে বিক্ষোপ দেখিয়েছেন। ভোটাররা জানিয়েছেন, তাদেরকে লাইন থেকে জোর করে বের করে দেওয়া হয়েছে, মারধর করে ভয় দেখানো হয়েছে।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This is todays COVID data

[covid-data]