বৃহস্পতিবার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ডঃ এপিজে আব্দুল কালামের ৮৯তম জন্মবার্ষিকী পালিত হচ্ছে। আব্দুল পকির জয়নুলআবেদিন আব্দুল কালামের জন্ম হয়েছিল ১৫ই অক্টোবর, ১৯৩১এ তামিলনাড়ুর রামেশ্বরমে। তিনি ছিলেন পরবর্তী প্রজন্মের অনুপ্রেরণা ও রোল মডেল।

জেনে নেওয়া যাক জীবনের কিছু অজানা তথ্য :

ডাঃ কালামের শৈশবের স্বপ্ন ছিল ভারতীয় বায়ুসেনার যুদ্ধবিমানের পাইলট হওয়া। কিন্তু তাঁর স্বপ্ন ভেঙে যায় যখন তিনি নবম স্থান পান। কারণ বায়ুসেনায় ৮টিই স্থান ছিল।

ডঃ কালাম সাধারণ মানুষের প্রয়োজনের জন্য কাজ করতে ভালোবাসতেন। তিনি হায়দ্রাবাদের কেয়ার হাসপাতালের চেয়ারম্যান সোমা রাজুর সঙ্গে কমখরচে কালাম-রাজু স্টেন্ট নামে করোনারি স্টেন্ট তৈরি করেন। ২০১২এ দুজনে মিলে গ্রামীণ এলাকার স্বাস্থ্য কর্মীদের জন্য ট্যাবলেট কম্পিউটার বানান, যার নাম ছিল কালাম-রাজু ট্যাবলেট।

ডঃ কালাম ২৭শে জুলাই ২০১৫এ আইআইএম শিলংয়ে একটি অনুষ্ঠান চলাকালীন হঠাত্‍ মারা যান। তাঁর শেষ কথা ছিল, “মজার ছেলেরা, তোমাদের ভাল চলছে তো?”

তিনি ভারতের একমাত্র রাষ্ট্রপতি ছিলেন, যিনি অবিবাহিত ছিলেন, নিরামিষাসী ছিলেন, নিজের কোনও ব্যাক্তিগত টিভি ছিল না। তিনি খুবই সাধারণভাবে জীবন যাপন করতেন।নাসার জেট প্রপালসান ল্যাবরেটরি ইন্টারন্যাশানা্ল স্পেস স্টেশনের ফিল্টারে যখন একটি নতুন ব্যাকটেরিয়া আবিষ্কৃত হয়, কালামের সম্মানে তার নাম রাখা হয় সলিব্যাসিলাস কালামি। ভারত সরকারও ওড়িশায় জাতীয় মিসাইল পরীক্ষার স্থানটিকে ডঃ কালামের নামে নাম রেখেছে।

ডঃ কালাম তাঁর সময়ে ২১টির মধ্যে মাত্র একটি ক্ষেত্রে প্রাণভিক্ষার আর্জি খারিজ করেছিলেন। কলকাতার একটি ১৫ বছরের কিশেোরীকে ধর্ষণে সাজাপ্রাপ্ত ধনঞ্জয় চ্যাটার্জীর প্রাণ ভিক্ষার আর্জি খারিজ করেছিলেন। কিন্তু ডঃ কালাম অন্য প্রাণ ভিক্ষার আর্জিগুলি নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেননি।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This is todays COVID data

[covid-data]