জমি সংক্রান্ত বিবাদ তথা জমি মাপঝোঁকের ক্ষেএে সরকারি বৈধ ফি দিয়েও গোপন আঁতাত না হলে তহশিলদারদের টিকির নাগাল মিলে না। এনিয়ে বিগত বেশ কিছু বছর যাবৎ গোটা পানিসাগর মহকুমা জুড়ে সাধারন জনগন ভীষন সমস্যায় পড়ে রয়েছে।এদের প্রতি প্রতিবাদ করলে হিতে বীপরিত হবার ভয়ে কেহই মুখ খুলতে চাইছে না। তাই বাধ্য হয়ে গোপন আঁতাতের পথকেই বেছে নিতে হচ্ছে।অপরদিকে দীর্ঘদিন ধরে পানিসাগর মহকুমা অফিসের সি,এল,আর,সেকশনে চলছে অবাধে অবৈধ কামাই বানিজ্য।

মহকুমার দুর দুরান্ত থেকে আগত সাধারন জনগনদের সি,এল,আর,সেকশনে প্রবেশের আগেই নাকি এক্সট্রা পাইস দিতে হয়।এই নিয়ে এলাকার শুভবুদ্ধি সম্পন্ন জনগন মহকুমা সাশকের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন।এরই এক জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত পরিলক্ষিত হয় উওর জেলার পানিসাগর মহকুমার অন্তর্গত রামনগর তহশিল অফিসে।রামনগর জনতা কলেজ সংলগ্ন পেষায় মুদি ব্যাবসায়ী তথা অবসর প্রাপ্ত ইন্ডিয়ান আর্মি উওম দাস,পিতা-রাম কৃষ্ণ দাস বিগত ১৪/০৮/২০২০ তারিখে ওনার ৭২০ নং খতিয়ান ভুক্ত ৫৮ শতক জমি ডিমারক্রেশন করাতে গিয়ে রামনগর তহশিল অফিসের দায়িত্বে থাকা তহশিলদার দেবাশীষ দাসের দ্বীচারিতায় পড়ে।তহশিলদার দেবাশিষ বাবুর কথা মতো ঐ দিন জায়গাটি পিলারিং করানের জন্য দশজন শ্রমিক নিয়ে সমস্হ দিন খুইয়ে অবশেষে নিরাশ হয়ে ঘড়ে ফিরতে হয়।অথচ উওম বাবু জানায় ঐ জায়গা ডিমারক্রেট করাতে গিয়ে সরকারি নির্ধারিত ফি জমা করেও তহশিলদার দেবাশীষ বাবুর কথা মতো অতিরিক্ত তিন হাজার টাকা উপটৌকন হিসেবে প্রদান করে।

তহশিলদার বাবু জানান সরকারি ফি দিয়ে নাকি সব কাজ হয় না,এর জন্য দপ্তরের উপর মহলের আধিকারিকদেরও এক্সট্রা পাইস দিতে হয়।এর পরও একমাএ তহশিলদার দেবাশীষ দাসের কারচুপিতে ঐ দিন জায়গাটির মাপঝোক সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান হয় নি।তিনি জানান ওনার একমাএিক ছোট ভাই সন্দিপ দাস বর্তমানে ১৩ নং টি,এস,আরে,কর্মরত অবস্হায় সহজ সরল বাবা কে ফুসলিয়ে সমস্হ জায়গা ওর নামে করে নিয়ে বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং বড় ভাই উওমের যোথ জমির উপর দিয়ে যাতায়াতের রাস্তা দেবার সিদ্ধান্ত নেয়।তখনই উওম বাবু বিষয়টি আচ করতে পেরে নিজের কিনা জমির ডিমারক্রেশন করানোর সিদ্ধান্ত নেয়।কিন্ত তহশিলদার দেবাশীষ দাসের কারচুপিতে ঐ দিন সমস্যার সমাধান হয় নি।উওম বাবুর অভিমত তহশিলদার দেবাশীষ দাস উভয় পক্ষ থেকেই উৎকোচ নিয়ে মাঝ পথে উভয়কেই হয়রানি করে চলেছেন।

বাধ্য হয়ে উওম বাবু অতিরিক্ত তিন হাজার টাকার বিষয়ে মুখ খুল্লে,তহশিলদার দেবাশীষ দাস জানায় ঐ টাকায় নাকি পিলারিং হয় না, এর জন্য আরও বাড়তি টাকা লাগবে।এই কথা শুনে উওম বাবু বেজায় ক্ষোব্ধ।তবে করিৎকর্মা অবসরপ্রাপ্ত আর্মি উওম বাবুও ছেড়ে দেবার পাএ নয়,তহশিল দারের সহিত সমস্হ আলোচনা সহ টাকা লেনদেনের সমস্হ গোপন তথ্য মোবাইলের মাধ্যমে রেকর্ড করে ফেলে।তাই তিনি তহশিলদার দেবাশীষ বাবুকে রেকর্ডিং এর বিষয়ে অবগত করালে তহশিলদার দেবাশীষ দাস বিষয়টি মিট মাট করার জন্য মুহুরি লক্ষি কান্ত ভট্টাচার্য এবং শুধাংশু দাস কে সাথে নিয়ে উওম বাবুর বাড়িতে গিয়ে দীর্ঘক্ষন আলাপ আলোচনা ক্রমে এক সপ্তাহের মধ্যে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়ে আসে।অথচ এর পরও প্রায় তিন মাস অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও তহশিলদার দেবাশীষ দাস কোন পাওাই দেয় নি।

তবে করিতকর্মা উওম বাবু মিটমাট সভার গোপন ভিডিও পুনরায় ঐ দিনের মত রেকর্ডিং করে নেয়।তাই বাধ্য হয়ে তহশিলদারের প্রতি আর আস্হা না রেখে বিষয়টি নিয়ে স্হানীয় সংবাদ মাধ্যমের স্বরনাপন্ন হয়।সমস্হ ধরনের বৈধ কাগজ পএ সহ গোপন লেনদেনের ভিডিও ফাস করে দেয়।এখন দেখার বিষয় রাজ্য রাজস্ব দপ্তর এই ঘুষ খোর তহশিলদারের বিরুদ্ধে কি ভূমিকা গ্রহণ করে।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This is todays COVID data

[covid-data]