নিউজ ডেস্ক,নয়া দিল্লীঃ-
পুলওয়ামায় ভয়ানক সন্ত্রাসী হামলায় শহিদ হয়েছেন ৪২ জওয়ান।এখনও মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন অনেকে।এদিকে গোয়েন্দা তদন্তে উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।সূত্রের খবর,আব্দুল রশিদ গাজীর হাত রয়েছে এই হামলার পেছনে।এই আব্দুল রশিদ গাজীই আফগান যুদ্ধের অন্যতম মাথা।ধারনা করা হচ্ছে ডিসেম্বর মাস থেকেই শুরু হয়েছিল এই হামলার ছক কষা।জানা গেছে এই আব্দুল রশিদ গাজী একজন আইইডি স্পেশালিস্ট।
সূত্রে খবর একটি পতাকাতে লিখা মন্তব্যে দেখা যায় ‘বড়া হোনা চাহিয়ে, হিন্দুস্থান রোনা চাহিয়ে’।স্থানীয় লোকজনদের দাবী এই লেখাটি জইশ-ই-মহম্মদ প্রধান মৌলানা মাসুদ আজহারের।সূত্রের খবর, এই হামলার পিছনে বিশেষ কারণ রয়েছে, আর সেটি হল গত নয়ই ফেব্র‌ুয়ারী ছিল সংসদ হামলার কাণ্ডারি আফজল গুরুর মৃত্যুবার্ষিকী।এর থেকে স্পষ্ট যে হামলার অনেক আগে থেকেই উপত্যকায় প্রবেশ করেছিল সন্ত্রাসবাদীদের দল।নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে লড়াইয়ে গত তিন জানুয়ারি এই জম্মু কাশ্মীরেই নিহত হয়েছিল জয়েশ-ই-মহম্মদ সদস্য উসমান ও তলহা।এই দুই স্নাইপার ছিল জইশ-ই-মহম্মদ চীফ মৌলানা মাসুদ আজাহারের ভাইপো।তিন জানুয়ারির এই ঘটনার পরই জয়েশ-ই-মহম্মদ  ভারতীয় সেনার উপর প্রতিশোধ নিতে তার রশিদ গাজীর বাহিনীকে পাঠায়।গয়েন্দা সূত্রের খবর সন্ত্রাসবাদীরা নয় ডিসেম্বর কাশ্মীর ভ্যালিতে প্রবেশ করেছিল,সম্ভবত যাত্রীবাহী গাড়িতে করে ডিসেম্বরের শেষের দিকে তারা পুলওয়ামায় পৌঁছয়।শ্রীনগরের লালচকে গত দশই ফেব্র‌ুয়ারি সিআরপিএফ এর কনভয় লক্ষ্য করে গ্রেনেড হামলা করা হয়।এই হামলায় চার জন সিভিল সিটিজেন সহ সাত নিরাপত্তারক্ষী আহত হয়।গোয়েন্দারা মনে করছে এই হামলার মধ্য দিয়ে জঙ্গিরা তাদের টার্গেট থেকে গোয়েন্দা বাহিনীর নজর সরাবার চেষ্টা করেছিল।এই ধারাবাহিক টুকরো টুকরো হামলা চলতে চলতেই চৌদ্দ ফেব্র‌ুয়ারী জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামায় ঘটে গেল এযাবৎ কালের মধ্যে সবচেয়ে বড় জঙ্গি হামলা।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This is todays COVID data

[covid-data]