নিউজ ডেস্ক, স্পেশাল রিপোর্টঃ- চীনের ঘুম উড়িয়ে, চীনের একদম গাঁ ঘেষে এয়ারপোর্ট বানাল ভারত । 

চীনের বাড়বাড়ন্ত ও চীনা সেনাদের আগ্রাসন রুখতে ভারতের প্রস্তুতি আরও একধাপ এগোল । এবার চীনের একদম গাঁ ঘেষে এয়ারপোর্ট বানাল ভারত সেইসাথে ভারতের উত্তরপূর্ব রাজ্য সিকিম পেল প্রথম এয়ারপোর্ট । সিকিমের রাজধানী গাংটক থেকে ৩৫ কিমি দক্ষিণে পাক্যং গ্রামে ৪৫০০ ফুট উচ্চতায় ৩৫০ কোটি টাকা খরচ করে তৈরি করা হয়েছে এই এয়ারপোর্ট। আগামী ২৩শে সেপ্টেম্বর এই বিমানবন্দরের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ।  প্রথমত প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মোড়া সিকিম হল টুরিস্ট নির্ভর রাজ্য। একদিকে কাঞ্চনজঙ্ঘা-র শৃঙ্গ , অন্যদিকে বরফ মোড়া পাহাড় , ঝর্না , লেক দেখতে বছরের সবসময় এখানে মানুষের ভিড় থাকে । দ্বিতীয়ত গ্যাংটক থেকে মাত্র ৫৫ কিলোমিটার দূরে “নাথুলা পাস” (ভারত চীন বর্ডার), তাই এই এয়ারপোর্ট যে ভারতের সুরক্ষা ,ব্যাবসা বাণিজ্য, সিকিমের জনগণের সুবিধা, সেনাবাহিনীর বিশেষ সুবিধা প্রদান ও টুরিজম সব ক্ষেত্রেই লাভদায়ক হবে তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

প্রসঙ্গত, ১৯৬২ সালে ভারতের সাথে চীনের যে লড়াই হয়েছিল সেই সময় ভারতীয় সেনাবাহিনীর কাছে যুদ্ধের উপকরণ, খাদ্য, পোশাক কিছুই পৌঁছাতে পারিনি যার জন্য খিদের জ্বালায় অনেক সৈনিককে মৃত্যুবরণ করতে হয়েছিল । তাই এই বিমানবন্দর যে সেনাবাহিনীকে প্রয়োজনীয় সামগ্রী প্রদানের ক্ষেত্রে এক বিশেষ ভুমিকা রাখবে, তা বলা বাহুল্য । বিশেষজ্ঞদের কথায় ৬৫ ধরে শাসন করার পরেও কেন কংগ্রেস ভারত চীন সীমার উপর নজর দেয়নি, চীনের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল ব্যাপারে কেন কংগ্রেস সরকার কোনো পদক্ষপে নেয়নি এটা খুবই চিন্তাশীল বিষয়। ৬২ এর যুদ্ধে এত এত সৈনিক বলিদানি হওয়ার পরেও সিকিমের মতো এলাকায় এয়ারপোর্ট তৈরি না করে চীনের প্রভাবকে বরাবর শক্তিশালী করে রেখেছিল সোনিয়া গান্ধীর নেতৃত্বাধীন সরকার। 

ভারতের প্রধানমন্ত্রী পদে মোদী আসিন হওয়ার পর থেকেই, ভারতের সুরক্ষার ব্যাপারে আলাদা ভুমিকা গ্রহণ করেছে ভারত সরকার । সে পাকিস্থান হোক অথবা চীন । প্রতিনিয়তই ভারতীয় সেনা, বিমান ও নৌ বাহিনীকে উন্নতিকরন প্রক্রিয়া চলছে । তাই সেইজায়গায় দাড়িয়ে নরেন্দ্র মোদীর সিকিমে বিমানবন্দর তৈরির সিদ্ধান্ত যে ভারতের সুরক্ষার বিষয়ে সেইসাথে সিকিমের উন্নতিকরনে বিশেষ ভুমিকা রাখতে চলেছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না । এতদিন পর্যন্ত সিকিমের সবথেকে কাছের এয়ারপোর্ট বলতে শিলিগুরির বাগডোরাকে ব্যাবহার করা হত কিন্তু মোদী সরকার সিকিমকে তাদের প্রথম এয়ারপোর্ট উপহার দিল। এই এয়ারপোর্ট শুধু সুরক্ষা বা সিকিমের জন্যেই নয়, একই সাথে দেশের টুরিজম ব্যবস্থাকে আরো বুস্ট দেওয়ার ক্ষেত্রে খুবই লাভজনক হতে চলেছে । 

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This is todays COVID data

[covid-data]