ট্রাম্প ও কিমের এ দিনের বৈঠক খুবই ইতিবাচক হয়েছে৷ দু’দফায় বৈঠক করেন দুই যুযুধান রাষ্ট্রপ্রধান৷ 
পরমাণু অস্ত্র নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা বন্ধ করতে হবে৷ মূলত এই শর্তেই উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে বৈঠকে বসতে রাজি হন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প৷ কিমের সঙ্গে বৈঠকের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, খুব তাড়াতাড়ি পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের কাজ শুরু হবে৷
সব দূরত্ব ভুলে হাত মিলিয়েছে দুই রাষ্ট্রপ্রধান৷ সাংবাদিকরা মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছে জানতে চান তাহলে কী তিনি কিমকে হোয়াইট হাউসে আসার নিমন্ত্রণ জানাবেন৷ জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, হ্যাঁ অবশ্যই ।  ট্রাম্প ও কিমের মধ্যে বৈঠক যে আশাতীত ভালো হয়েছে তা দুই রাষ্ট্রনেতার মন্তব্য তাদের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ দেখে পরিস্কার বোঝা গিয়েছে৷
 উত্তর কোরিয়ার সর্বাধিনায়ক কিম বলেন, ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাতের এই প্রক্রিয়া সহজ ছিল না। তারপরেও সমস্ত সংকট কাটিয়ে যে তাঁরা আলোচনায় বসেছেন, তাতে তিনি খুশি। তাঁদের মধ্যে কথা হয়েছে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে।
প্রসঙ্গত বলে হয়, এই প্রথম আমেরিকার রাষ্ট্রপ্রধান বৈঠকে বসলেন উত্তর কোরিয়ার সর্বাধিনায়কের সঙ্গে। গোটা বিশ্বের নজর ছিল এই বৈঠকের দিকে।বৈঠক শেষে  সন্ধ্যেবেলায় ওয়াশিংটন উড়ে যাবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট । 

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This is todays COVID data

[covid-data]