নিউজ ডেস্ক, আগরতলাঃ- উন্নত ত্রিপুরা গড়ার লক্ষ্যে দিল্লিতে বৈঠক সফল মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের 

২০১৮ বিধানসভা নির্বাচনের আগে ত্রিপুরা নিয়ে বিজেপি নেতৃত্বের গলায় বারবার একটি কথাই উঠে এসেছিল, সেটি হল ” ত্রিপুরায় সম্ভবনা থাকলেও একই সাথে রয়েছে সদিচ্ছার অভাব ” তাই ত্রিপুরায় পাহাড় , জঙ্গল , জলাশয় থাকলেও হয়নি কোন পর্যটন শিল্প তাই উত্তরপূর্ব ভারতের ৮বোনের মধ্যে ১বোন সর্বদাই উপেক্ষিত রয়েছে । তাই রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর থেকেই ত্রিপুরার হৃত গৌরব ফিরিয়ে, রাজ্যকে আবার শ্রেষ্ঠ আসনে বসাতে উদ্যত হয়েছে রাজ্য বিপ্লব কুমার দেবের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার । আর তাই রাজ্যের পর্যটন ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে ও পর্যটকের চোখে আকর্ষণীয় করার লক্ষ্যে দিল্লীতে ও এন জি সি-র সি এম ডি শশী সঙ্কর ও এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান ডঃ গুরুপ্রসাদ মহাপাত্র-র সাথে বৈঠক করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব , সেইসাথে রাজ্যের প্রতিনিধি হিসাবে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যসচিব সঞ্জীব রঞ্জন । 

যে সমস্ত বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়, সেগুলি হল – 
১. মহারাজা বীর বিক্রম কিশোর মানিক্য বিমানবন্দর-টিকে আন্তর্জাতিক মানের গড়ে তোলা । 
২. বিমানবন্দরে নতুন সব সুবিধা যুক্ত টার্মিনাল ও হ্যাঙ্গার নির্মাণ ।
৩. রানওয়ে সম্প্রসারিত করা ও সংখ্যা বাড়ানো । 
৪. কৈলাশহরের পুরানো বিমানবন্দরটি নূতন ভাবে সাজিয়ে তোলার ও দ্রুত চালু করার জন্য আগামী ডিসেম্বর মাসে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ।
৫. কমলপুরে নতুন একটি হেলিপ্যাড নির্মাণ ।
৬. পর্যটন শিল্পের উন্নতিকরনের জন্য উনকুটি, মাতাবাড়ি, নিরমহল ও ছবিমুড়কে ঢেলে সাজানো ও সেখানকার ছবি দিয়ে বিমানবন্দর কে আরও ভাল ভাবে সাজান , এবং সেইকাজ দুর্গাপূজার আগেই সম্পর্ণ করা । 
৭. খোয়াই-এ রাজ্য সরকার ও এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার যৌথ উদ্যোগে ৬৪ একর জমির ওপর জনকল্যাণে নতুন প্রকল্প । 
৮. ৩১শে ডিসেম্বর ২০১৮ এর মধ্যে খোলা স্থানে শৌচকর্ম বন্ধের লক্ষ্যমাত্রাকে পূরণ করার জন্য ও এন জি সি ৮১ কোটি টাকা অনুদান দেবে রাজ্য সরকারকে,  বলে জানা যায় । 

রাজ্য সরকারের এই সমস্ত প্রকল্প গুলি নিয়ে ইতিমধ্যেই সরকারকে সাধুবাদ জানিয়েছে রাজ্যবাসি , সেইসাথে কৈলাশহরের পুরানো বিমানবন্দরটি নূতন ভাবে সাজিয়ে তোলার জন্য যে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে রাজ্য সরকার, তার জন্য রীতিমত খুশির হাওয়া বইছে সমগ্র উনকুটি জেলা জুড়ে , কারন কৈলাশহরের পুরানো বিমানবন্দরটি চালু হলে উত্তরের সাথে রাজধানীর দূরত্ব ও সেইসাথে বহিঃরাজ্যে যাওয়ার জন্য উত্তরের মানুষের আগরতলার ওপর নির্ভরশীলতা ও মহারাজা বীর বিক্রম কিশোর মানিক্য বিমানবন্দরের ওপর চাপ প্রায় ৮০% কমে যাবে বলে মত ব্যক্ত করেছেন রাজ্যের বিশেষজ্ঞ মহল । 

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This is todays COVID data

[covid-data]