নিউজ ডেস্ক,নয়া দিল্লীঃ-

শহিদ জওয়ান ল্যান্সনায়ক নাজির আহমেদের স্ত্রী মেহেজবিনের হাতে প্রজাতন্ত্র দিবসে ‘অশোক চক্র’ সম্মান তুলে দেওয়া হল।মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়েও মাতৃ ভুমির জন্য জঙ্গিনিধন করেছিলেন নাজির আহমেদ ওয়ানি।  সাহসিকতার জন্য দেশের সর্বোচ্চ সম্মান ‘অশোক চক্র’  দেওয়া হল তাঁকে।

একটা সময় জঙ্গি দলে ছিলেন আজকের নায়ক নাজির আহমেদ। পরবর্তী সময়ে সন্ত্রাসবাদের পথ ছেড়ে সেনাবাহিনীতে যোগদান করে বীরত্বের পরিচয় দেন নাজির আহমেদ। ২০১৮ সালের নভেম্বর মাসে কাশ্মীরের শোপিয়ান-এ আতঙ্কবাদীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে গিয়ে শহিদ হন ল্যান্সনায়েক নাজির আহমেদ ওয়ানি। নাজিরের স্ত্রী মহাজবিনের হাতে এই সম্মান তুলে দিলেন ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ।

২০০৪ সালে জম্মু-কাশ্মীর লাইট ইনফ্যান্ট্রির ১৬২ ইনফ্যান্ট্রি ব্যাটালিয়নে নাজির যোগ দেন বলে জানা যায়। তাঁর বাড়ি জম্মু-কাশ্মীরের কুলগাম জেলার চেকি আশমুজিতে। একদম শুরুর দিক থেকেই অসাধারণ সাহসিকতা ও বীরত্বের পরিচয় দিয়েছিলেন নাজির আহমেদ।তিনি সবসময় জম্মু-কাশ্মীরে শান্তি স্থাপনের জন্য সচেষ্ট ছিলেন।সাহসিকতার জন্য ২০০৭ এবং ২০১৮ সালেও সেনা পদক পান তিনি।
২০০৪ সালে জঙ্গি আস্থানা থেকে পালিয়ে আসেন নাজির। আত্মসমর্পণ কালে নাজির পুলিশকে জানিয়েছিলেন, তিনি দেশের জন্য কিছু করতে চান। নাজিরের কথা উপর বিশ্বাস করেন এক সেনা আধিকারিক। সেই থেকেই শুরু হয় তাঁর সেনা প্রশিক্ষণ৷ প্রশিক্ষণ শেষ করে কাজে যোগ দেন নাজির আহমেদ ওয়ানি৷ক্রমাগত একের পর এক অভিযানে গিয়ে জঙ্গি নিধন করেন৷ গত ২৩এ নভেম্বর সোপিয়ানে এক জঙ্গি বিরোধী অভিযানে যান চৌত্রিশ রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের জওয়ান নাজির৷সেই দিনই শহিদ হন তিনি৷কিন্তু জঙ্গি গুলিতে আহত হয়েও মৃত্যুর আগে জম্মু সোপিয়ানে লস্কর এবং হিজবুলের জঙ্গিকে নিধন করেন এই বীর জওয়ান নাজির আহমেদ ওয়ানি৷

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This is todays COVID data

[covid-data]