অন্য বারের তুলনায় বছর চাপ টা অনেক বেশি, একদিকে যেমন শক্তিশালী প্রতিপক্ষ আবার অন্যদিকে নানান কেলেঙ্কারিতে জড়িয়েছে রাজ্যের প্রায় সব নেতা মন্ত্রীদের নাম সেই কারনে দেরি না করে ভেতরে ভেতরে ঘর গুছিয়ে রাখতে মরিয়া রাজ্য সিপিএম
একেবারে শেষ মুহূর্তে কোনও প্রয়োজন হলে রদবদলের দরজা খোলা রেখেই ইতিমধ্যে বিধানসভা ভোটের প্রার্থী তালিকা তৈরি করে ফেলেছে মানিকবাবুরা এই প্রসঙ্গে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির এক সদস্যের কথায়, ‘‘আমাদের তালিকা তৈরি। নির্বাচন কমিশন ভোটের দিন ঘোষণা করলে আমরাও তালিকা ঘোষণা করে দেব।’’
উত্তরপূর্ব ভারতের এই রাজ্যে সিপিএম ক্ষমতায় রয়েছে টানা ২৫ বছর, কিন্তু তবুও বারের বিধানসভা ভোটকে আলাদা গুরুত্বই দিচ্ছে তারা কারন গোটা দেশে দুটি মাত্র বামশাসিত রাজ্যের মধ্যেও একটি হাতছাড়া হলে জাতীয় রাজনীতিতে বামেদের প্রাসঙ্গিকতা প্রশ্নের মুখে পড়বে আর বিজেপি বামবিরোধী ভোট এক জায়গায় আনতে সচেষ্ট। যার ইঙ্গিত মিলেছে উপনির্বাচনে, তাই এমন গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে খুব বেশি পরীক্ষানিরীক্ষায় যেতে রাজী নয় মেলার মাঠ
দলীয় সূত্রের ইঙ্গিত, দলের এক রাজ্য নেতার বক্তব্য অনুসারে কিছু কেন্দ্রে এবার বদল আনতে চলেছে সিপিএম ভোটপ্রস্তুতির দৌড়ের শেষ প্রান্তে এসে সংগঠন এবং সরকারকে এখন পুরো দমে কাজে লাগাচ্ছে সিপিএম। নানান মিটিং , মিছিল , সমাবেশ তো রয়েছেই তার পাশাপাশি সরকারী কর্মচারীদের মন পেতে নানান সিদ্ধান্ত নিয়া চলেছে মন্ত্রিসভা ইতিমধ্যে মহিলা কর্মচারীদের ২বছর মাতৃত্ব কালিন ছুটির কথা ঘোষণা করে চমক দিয়েছে রাজ্য সরকার  

তবে দামামো বাজানোর আগে ছোট একটা বিতর্ক মাথাচাড়া দিয়েছে দলের অন্দরে। সিপিএমের প্রচার শুরু হয়েছে অষ্টম বামফ্রন্ট সরকার গড়ার ডাক দিয়ে। যদিও বিগত ৭টি বামফ্রন্ট সরকার পরপর আসেনি। প্রথম দুবারের পর কংগ্রেসের পাঁচ বছর, ফের বামেদের পাঁচ বারে ২৫ বছর। মাঝখানে এই ছেদের কথা মাথায় রেখেই মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের মুখে কোথাও শোনা যাচ্ছে নাঅষ্টমসরকারের আহ্বান

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This is todays COVID data

[covid-data]